শিরোনাম

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ১৯ বছরের মধ্যে পাসের হার এ বছরই সবচেয়ে কম

ছবি-সংগৃহীত


এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ শিক্ষার্থী। এরমধ্যে ছাত্র ৫২ হাজার ৭৮০ ও ছাত্রী ৬৩ হাজার ৮৯৬ জন।

ভোকেশনালে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৯৫১ জন। এর মধ্যে ছাত্র এক হাজার ৯০৪ জন ও ছাত্রী ২ হাজার ৪৭ জন।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ফলাফল প্রকাশ করেন।

এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছে।
এর মধ্যে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি পরীক্ষায় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষায় ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছে।
এবার এসএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ২১ এপ্রিল। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। আর দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার লিখিত অংশ শেষ হয় ২৪ মে। সাধারণত লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশ করা হয়।
সে হিসাবে গত ২০ জুলাই ফল প্রকাশের কথা থাকলেও এবার নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ পর ফল প্রকাশ করা হচ্ছে।
ফল প্রকাশের পর ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করা যাবে। পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।
এসএসসির ফলাফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করবেন যেভাবে:
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর জেসমিন তাসলিমা বানু জানান, ১১ থেকে আগামী ১৭ আগস্ট পর্যন্ত পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে।

এ জন্য https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd -এ গিয়ে নির্ধারিত স্থানে রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর পূরণ করতে হবে এবং বোর্ড ড্রপ ডাউন থেকে বোর্ড নির্বাচন করতে হবে। অতঃপর সাবমিট বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর মোবাইল ফোন নম্বর দিতে হবে। পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশ হলে এ নম্বরে এসএমএস পাঠানো হবে।
পরবর্তী স্ক্রিনে শিক্ষার্থীর বিষয় ভিত্তিক ফলাফল দেখা যাবে। এক বা একাধিক বিষয়ে ফলাফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য বিষয়গুলো নির্বাচন করে ‘ফি প্রদান করুন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।

প্রতিটি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা হারে ফি প্রযোজ্য হবে।

দ্বিপত্র বিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয় পত্রের আবেদন করতে হবে।

পরবর্তী স্ক্রিনে প্রদেয় ফিয়ের পরিমাণ দেখা যাবে। বিকাশ, নগদ, সোনালী সেবা-এর মাধ্যমে ফি পরিশোধ করা যাবে। ফি পরিশোধের বিস্তারিত ধাপগুলো ওপরে দেওয়া পোর্টালের ‘হেয়’ বাটনে ক্লিক করে দেখে নেওয়া যাবে।

ফি পরিশোধ করে আবেদনের পোর্টালে এসে ‘জমা দিন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।

ফি দিয়ে একবার আবেদন জমা দেওয়ার পরে আরো বিষয় যুক্ত করতে চাইলে একইভাবে তা করা যাবে। তবে এ ক্ষেত্রে নতুনভাবে মোবাইল ফোন নম্বর দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।

এ ছাড়া ফি পরিশোধের আগেই যদি আবেদন পরিবর্তন বা পরিমার্জনের প্রয়োজন হয়, সে ক্ষেত্রে ‘মুছে ফেলুন’ বাটনে ক্লিক করে নির্বাচিত বিষয়গুলো (যেগুলোর জন্য এখনো ফি দেওয়া হয়নি) প্রত্যাহার করা যাবে এবং নতুন করে বিষয় নির্বাচন করা যাবে।

তবে একবার ফি জমা দিলে আবেদনকৃত বিষয়গুলো আর বাতিল করা যাবে না এবং কোনো অবস্থাতেই ফি ফেরত দেওয়া হবে না।

ম্যানুয়াল কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

নিউজ২৪নারায়ণগঞ্জ/আকাশ/২০২৬

Post a Comment

Previous Post Next Post