ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ে বাতিল হওয়া নারায়ণগঞ্জের ৭ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেছেন। আগামী ১০ থেকে ১৩ জানুয়ারি বিভিন্ন সময়ে এসব আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচন কমিশনে আপিল করা প্রার্থীরা হলেন, সদর-বন্দর আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেন, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী নাহিদ হোসেন, ফতুল্লা আসনে গণঅধিকার পরিষদের আরিফ ভূঁইয়া, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির সেলিম আহমেদ এবং জাতীয় পার্টির ছালাউদ্দিন খোকা মোল্লা, সিদ্ধিরগঞ্জ-সোনারগাঁ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপির সাবেক প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিম, এবং রূপগঞ্জ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. দুলাল। এর আগে গত ৩ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে নারায়ণগঞ্জের জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা রায়হান কবির বিভিন্ন কারণে এসব প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করেন।
অসম্পূর্ণ হলফনামার কারণে নাহিদ হোসেন, আরিফ ভূঁইয়া ও রেজাউল করিমের; বকেয়া গৃহকর থাকায় মাকসুদ হোসেনের; বকেয়া বিল থাকায় ছালাউদ্দিন খোকা মোল্লার; হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় সেলিম আহমেদের এবং প্রয়োজনীয় এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর না থাকায় মো. দুলালের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, ১০ জানুয়ারি সকাল ১০টা থেকে ১১টায় ফতুল্লা আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী ছালাউদ্দিন খোকা মোল্লার আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। ১১ জানুয়ারি দুপুর ২টা থেকে ৩টার মধ্যে ফতুল্লা আসনের সেলিম আহমেদ ও আরিফ ভূঁইয়া এবং সদর-বন্দর আসনের নাহিদ হোসেনের আপিল শুনানি হবে। আগামী ১২ জানুয়ারি দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত সদর-বন্দর আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেনের, একইদিন বেলা ৩টা থেকে ৪টায় রূপগঞ্জ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি নেতা মো. দুলালের এবং এবং ১৩ জানুয়ারি বিকেল ৪টা থেকে ৫টায় সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ আসনের রেজাউল করিমের আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
উল্লেখ্য, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের শেষ সময় ১১ জানুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তির কার্যক্রম চলবে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। এরপর নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করবে।

No comments:
Post a Comment